Friday, October 16, 2015

মায়ের পরশ পেতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানাবেন জাফর ইকবাল।

মোহনগঞ্জে বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। - See more at: http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf
মোহনগঞ্জে বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। - See more at: http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf



মোহনগঞ্জে বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ শাহ্জালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক . জাফর ইকবাল রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সিদ্ধান্তের কথা জানান . জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি মোহনগঞ্জ আসেন এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর জিয়ারতসহ দোয়া মিলাদ মাহফিলে . জাফর ইকবাল তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি রকম নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। . জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ . জাফর ইকবাল।



মোহনগঞ্জে বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। - See more at: http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf

লালন স্মরণ উৎসব-২০১৫


Friday, April 27, 2012

সংস্কার চান সৌদি প্রিন্সেস

একনজরে প্রিন্সেস বাসমা
ষ জন্ম ১৯৬৫ সালে। সৌদি আরবের দ্বিতীয় শাসকের কনিষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান বাদশাহর ভাতিজি। পুরো নাম প্রিন্সেস বাসমা বিনতে সউদ বিন আবদুল আজিজ।
ষ স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে লন্ডনের অ্যাক্টন শহরে বাস করছেন।
পড়াশোনা করেছেন ব্রিটেন ও সুইজারল্যান্ডে
ষ ৫ সন্তানের জননী রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী
ষ সংস্কারের পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর


হ ফয়সল আবদুল্লাহ
সৌদি আরবের সাবেক শাসক কিং সৌদ। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশের প্রথম নারী বিশ্ববিদ্যালয়। দাসপ্রথা তুলে দেওয়ার পর দেশে সাংবিধানিক রাজতন্ত্রও তৈরি করে গেছেন। কিন্তু তার মেয়ে প্রিন্সেস বাসমা বিনতে সৌদ বেশ খানিকটা ভারাক্রান্ত কণ্ঠে বিবিসিকে জানালেন, দেশের এখনকার অবস্থা দেখে তিনি আশাবাদী নন। কেননা বর্তমান শাসকরা আগের ওয়াদা ঠিকঠাক মানতে পারছেন না। বিবিসির সঙ্গে এ ছাড়াও কয়েকটি ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছেন লন্ডনপ্রবাসী বাসমা। তার ভাষ্যেই তুলে ধরা হলো বিশদ প্রতিবেদনটির সংক্ষেপিত রূপ।
পশ্চিমা ঘেঁষা নয়, নতুন কিছু চাই : এমন এক সংবিধানের স্বপ্ন দেখি, যাতে নারী-পুরুষের সমানাধিকার দেওয়া হবে। শুধু আইনের চোখে নয়, আমাদের নাগরিক নীতি কিংবা রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও তেমনটা দেখতে চাই। আরেকটা উদাহরণ দিতে চাই, এখনকার বিচারব্যবস্থায় বিচারক পবিত্র কোরআনের আলোকে সিদ্ধান্ত নেন ঠিকই, তবে তাতে একান্তই বিচারকের নিজস্ব বোধ ও ধারণার প্রতিফলন ঘটে। পশ্চিমা পন্থা আসুক তা বলছি না, তবে আমাদের চাহিদা ও সংস্কৃতির আলোকে প্রচলিত পন্থার একটা নতুন রূপরেখাকে সাদরে গ্রহণ করা যেতে পারে। অর্থাৎ সংবিধানটা হবে পবিত্র কোরআনের আলোকে, তবে তাতে কারও ব্যক্তিগত ধারণার চর্চার জন্য তা উন্মুক্ত থাকবে না। পাশাপাশি, ওই সংবিধানে নারী, পুরুষ ও গোত্রনির্বিশেষে প্রত্যেকের সমান নাগরিক অধিকারও নিশ্চিত হবে।
নির্যাতনের আরেক নাম : বিবাহ বিচ্ছেদ আইন
আমি কঠিনভাবে বিশ্বাস করি, বর্তমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনটি নির্যাতনের আরেক নাম। এখন একজন সৌদি নারী কেবল তখুনি বিচ্ছেদ চাইতে পারে, যখন সে এর জন্য মামলা করবে। যাকে বলা হয়, 'খালি ও ধালি'। অর্থাৎ হয় ওই নারীকে বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে, নতুবা তার বিচ্ছেদের কারণ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল, এমন প্রত্যক্ষদর্শী খুঁজতে হবে। বিয়ের চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রাখার জন্যই নাকি এ ধরনের কঠিন নিয়মের আবির্ভাব। আবার নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখার আরেকটি পন্থা হলো, বিচ্ছেদের পরও ছয় বছরের বড় শিশুর দেখভালের দায়িত্ব চোখ বুজে বাবাকে দিয়ে দেওয়া। এ ধরনের নিয়ম সেই কোরআনের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ, যার ওপর ভিত্তি করে আমাদের আইনকানুন রচিত হওয়ার কথা। অথচ সেখানে নারীদের 'বিরোধপূর্ণ পার্থক্যের' কারণেই বিচ্ছেদের অধিকার দেওয়া হয়েছে।
ভয়ানক সিলেবাস : সৌদি আরবে নারীদের এখন যে চোখে দেখা হচ্ছে তার জন্য অনেকাংশে দায়ী এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা। সিলেবাসে যা আছে তা এককথায় ভয়ঙ্কর। শিশুদের শেখানো হচ্ছে, নারীরা সমাজের নিচুস্তরের মানুষ। তাদের কাজ হলো শুধু পরিবারের দেখাশোনা ও সন্তান লালনপালন। তাদের আসলে এটাই শেখানো হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তার পর যদি নারীদের কারও প্রার্থনা করতে হতো, তবে সে হতো পুরুষ। আবার এটাও বলা হয়, স্বামীর ইচ্ছা পূরণ না করলেই ফেরেশতারা সমস্বরে অভিশাপ দিয়ে যাবে স্ত্রীকে। মেয়েদের শারীরিক শিক্ষা থেকেও বঞ্চিত রাখা হচ্ছে। অথচ এর সবই কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা। আমি মনে করি, কোরআন আর সুন্নাহ মেনে চলাই শ্রেয়। বাকি থাকা অজস্র ভুল ব্যাখ্যা শেখার পর আমাদের তরুণরা নিশ্চিতভাবে সন্ত্রাসবাদের দিকেই ঝুঁকবে। তাদের মুখস্থবিদ্যা ছেড়ে সৃষ্টিশীল পথে নিয়ে আসা উচিত। অতীতের ইসলাম ছিল সৃষ্টিশীলতায় মুখর। বিজ্ঞান ও সাহিত্যে ধর্মবেত্তাদের পদচারণা ছিল উজ্জ্বল। আমাদের ধর্ম এমন কিছু নয় যে, একে ঢাল বানিয়ে আমরা বিশ্ব থেকে আমাদের গা বাঁচিয়ে চলব। বরং এটা দিয়ে আমরা এগিয়ে গিয়ে আমাদের চারপাশে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি।
আত্মহত্যাই শ্রেয়! : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারীদের রক্ষা করা নিয়ে তো কিছু করছেনই না, উল্টো নারীর প্রতি নিষ্ঠুরতার বিষয়ে চুপ করে আছেন। নির্যাতন থেকে বাঁচতে আশ্রয়প্রার্থী নারীদের এটাই বলা হয় যে, আশ্রয় চেয়ে তারা তাদের পরিবারকে লজ্জায় ডুবিয়েছে। ক্ষমতাধর পরিবার থেকে এলে ওই নারীকে সোজা আবার সেই বাড়িতেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে। যার পরিণতিতে আমরা অনেক আত্মহত্যা দেখেছি। অনেক ডাক্তার ও শিক্ষিকার মতো উচ্চশিক্ষিত নারীরাও নির্যাতনকারীর কাছে ফিরে যাওয়ার চেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। আমাদের এখন প্রয়োজন নারীর স্বাধীন আশ্রয়, যা শক্তিশালী আইনের হাত ধরে টিকে থাকবে, যে আইন পারিবারিক ঐতিহ্যকেও উপেক্ষা করতে পারবে। সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কারণে যে নারীরা কেবল নির্যাতিত হচ্ছে তা নয়, এর কারণে সৌদি আরবে দারিদ্র্যও বেড়ে চলেছে। বিশ্বের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও আমাদের অর্ধেক লোকই দারিদ্র্যপীড়িত, যার অন্যতম কারণটা হলো স্রেফ দুর্নীতি।
এখনই ড্রাইভিং নয় :সৌদি আরবে মাহরাম (পুরুষ আত্মীয়) ছাড়া নারীর বাইরে বের হওয়া নিষেধ। মোহাম্মদ (সা.)-এর সময় নারীরা পুরুষ সঙ্গী নিয়ে বের হতো, কেননা আরব তখন মরুময় ও দস্যুতে ভরা ছিল। এখন এ নিয়মটা আমার কাছে নারী অধিকার হরণ ছাড়া আর কিছু নয়। এতে শুধু নারীর শক্তিমত্তাকে অবমূল্যায়নই করা হচ্ছে না, পাশাপাশি সমাজ ও পুরুষদের ওপর বাড়তি বোঝাও চাপানো হচ্ছে। এখনও এ দেশে নারীদের গাড়ি চালানো নিষেধ। আমি অবশ্যই এর বিরোধী, তবে এখনও নারীদের গাড়ি চালানোর সময় আসেনি। কেননা এখন চালাতে গেলে ওই নারীকে পাকড়াও করা হবে, মারধর করা হবে, এমনকি তাকে শিক্ষা দিতে আরও জঘন্য কিছুও হতে পারে। আর তাই বলব, আমরা পর্যাপ্ত শিক্ষিত হওয়ার আগ পর্যন্ত নারী যেন গাড়ি না চালায়। ততদিন পর্যন্ত যেন না চালায়, যতদিন না গাড়ি চালানোয় বাধা দেওয়ার মতো পাগলামির বিরুদ্ধে শক্ত আইন হচ্ছে। আর এর আগে গাড়ি চালিয়ে যদি কেউ লাঞ্ছিত বা নির্যাতিত হয়, তবে চরমপন্থিরা অন্য দেশের নারীদের বলার মতো সুযোগ পেয়ে যাবে, তারা তখন হেঁড়ে গলায় বলে বেড়াবে, দেখ! নারীদের গাড়ি চালানোর ফল কী হতে পারে! আর তাই আগে মৌলিক আইনের সংস্কারটাই বেশি করে কাম্য।

Reference: Dainik Somokal. Date: 27 April, 2012.
Please Click Here
http://www.samakal.com.bd/details.php?news=58&action=main&menu_type=&option=single&news_id=254756&pub_no=1036&type=

Thursday, October 6, 2011

একজন ‘স্বপ্নদ্রষ্টার’ মৃত্যু

স্টিভ জবস: ১৯৫৫-২০১১


বিশ্বে কম্পিউটার প্রস্তুতকারী সবচে সফল প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মারা গেছেন৻
তার বয়স হয়েছিলো ৫৬ বছর৻ এর আগে তিনি ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করছিলেন৻
মি. জবস তথ্য প্রযুক্তির এমন কিছু পন্য সামগ্রী তৈরি করেছেন যা সারা বিশ্বের লাখ লাখ মানুষের দৈনন্দিন অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে৻
এগুলোর মধ্যে আছে অ্যাপেল ম্যাক কম্পিউটার, আইপড মিউজিক প্লেয়ার এবং আইফোন৻
রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে তার ভক্ত এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ীরা মি. জবসের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন৻
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোও তার মৃত্যু সংক্রান্ত খবরে ছেয়ে গেছে৻
সারা বিশ্বে মি. জবস যে প্রভাব রেখে গেছেন তা আরো কয়েক প্রজন্ম অব্যাহত থাকবে
বিল গেটস, চেয়ারম্যান, মাইক্রোসফট
প্রেসিডেন্ট ওবামা তাকে একজন স্বপ্নদ্রষ্টা এবং অ্যামেরিকার ইতিহাসে মহান এক উদ্ভাবক হিসেবে উল্লেখ করেছেন৻
মি. জবস মানুষের জীবন যাপনের ধারা বদলে দিয়েছেন৻ নতুন করে সাজিয়েছেন এই তথ্য প্রযুক্তি শিল্পকেও৻
অসুস্থতার কারণে অ্যাপলের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে তিনি গত আগস্ট মাসে সরে দাঁড়ান৻
তার স্থলাভিষিক্ত হন টিম কুক যার নেতৃত্বে এ সপ্তাহেই আইফোনের সবশেষ মডেল বাজারে ছাড়া হয়৻
অ্যাপেলের প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক্রোসফটের চেয়ারম্যান বিল গেটস বলেছেন, সারা বিশ্বে মি. জবস যে প্রভাব রেখে গেছেন তা আরো কয়েক প্রজন্ম অব্যাহত থাকবে৻



Thursday, September 8, 2011

নেত্রকোনায় এবিসির শিক্ষা বিষয়ক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আজ (সোমবার) বেলা ৩ ঘটিকায় নেত্রকোনার বলাইনগুয়া এলাকার জনতা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এবিসি ইউনিভার্সিটি ষ্টুডেন্টসর উদ্যোগে শিক্ষা বিষয়ক এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান হয় 
যার প্রতিপাদ্য বিষয় আলোকিত মানুষ হতে জেগে ওঠোb¤^iv_©x নয়, শিক্ষার্থী হওএতে সভাপতিত্ব করেন এবিসির সাধারন সম্পাদক বি কে সরকার লালনসততা, পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা, মানসম্মত শিক্ষা, সফল ব্যক্তি, তথ্য-প্রযুক্তি, নিজ লক্ষ্য, সামাজিক উন্নয়ন, ইভটিজিং, যৌতুক ও মাদকসেবীদের নিয়ে মোট ১০টি প্রশ্ন সম্পর্কিত একটি তথ্য সংগ্রহ ও নিবন্ধন ফরম স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়উক্ত ১০টি প্রশ্নের উপর বিশদ আলোচনা শেষে বি কে সরকার লালন বলেন, বিষয়গুলোর উপর ২০০ শব্দ m¤^wjZ একটি রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, এতে তোমরা অংশগ্রহণ করবেপরবর্তীতে এবিসির অনলাইন এক্সিকিউটিভ জুয়েল আহম্মেদ স্থানীয় স্কুলের শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপের মাধ্যমে কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা করে এক এক করে মোট ৫০জন শিক্ষার্থীদের একটি কর্মশালা পরিচালনা করে 
 
এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কম্পিউটার প্রশিক্ষক মনি চন্দ্র দাস, বোরহান, প্রমূখ