মোহনগঞ্জে
বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে
খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি
মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর
জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর
ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম
নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা
সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের
মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি
বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ
করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে
বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে
জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। -
See more at:
http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf
মোহনগঞ্জে
বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে
খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি
মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর
জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর
ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম
নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা
সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের
মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি
বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ
করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে
বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে
জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। -
See more at:
http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf
মোহনগঞ্জে বাড়ি
বানাবেন দেশের
খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও
শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.
জাফর
ইকবাল। রোববার
সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি
এ
সিদ্ধান্তের কথা
জানান। ড.
জাফর
ইকবালের ওই
সিদ্ধান্তে খুশি
মোহনগঞ্জের মানুষ। মা
আয়েশা
ফয়েজের
মৃত্যুবার্ষিকী পালন
উপলক্ষে তিনি
মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত
মা
আয়েশা
ফয়েজের
কবর
জিয়ারতসহ দোয়া
ও
মিলাদ
মাহফিলে ড.
জাফর
ইকবাল
ও
তার
স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত
অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি
বানানোর ইচ্ছা
জাগ্রত
হয়েছে
কিনা-
এমন
প্রশ্নের উত্তরে
তিনি
বলেন,
না
বিষয়টি
এ
রকম
নয়।
তিনি
বলেন,
সিলেটে
তো
বিশ
বছর
কাটালাম। তাছাড়া
ঢাকায়
আমার
পক্ষে
থাকা
সম্ভব
নয়।
কারণ,
ঢাকায়
চাপ
বেশি।
ড.
জাফর
ইকবাল
বলেন,
আমার
মা
মোহনগঞ্জের মাটিতে
চিরনিদ্রায় শায়িত
আছেন।
আর
এখানে
থাকা
মানেই
মায়ের
পরশ
পাওয়া।
তিনি
বাড়ি
বানানোর জন্য
শেখবাড়ির পাশে
বহমান
শিয়ালজানি খালের
তীরে
জায়গা
পছন্দ
করেছেন। নানা
আবুল
হোসেন
শেখ
ও
মা
আয়েশা
ফয়েজের
স্মৃতি
বিজড়িত
শেখবাড়িতে বাড়ি
বানিয়ে
একটু
নিরিবিলিতে, একটু
স্বস্তি আর
শান্তিতে তৃপ্তি
সহকারে
জীবনের
শেষ
সময়টুকু কাটাতে
চান
দেশের
প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড.
জাফর
ইকবাল।
মোহনগঞ্জে
বাড়ি বানাবেন দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও শাহ্জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল। রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ড. জাফর ইকবালের ওই সিদ্ধান্তে
খুশি মোহনগঞ্জের মানুষ। মা আয়েশা ফয়েজের মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে তিনি
মোহনগঞ্জ আসেন। এখানকার শেখবাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত মা আয়েশা ফয়েজের কবর
জিয়ারতসহ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে ড. জাফর ইকবাল ও তার স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।
সিলেটের তিক্ত অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মোহনগঞ্জে বাড়ি বানানোর
ইচ্ছা জাগ্রত হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, না বিষয়টি এ রকম
নয়। তিনি বলেন, সিলেটে তো বিশ বছর কাটালাম। তাছাড়া ঢাকায় আমার পক্ষে থাকা
সম্ভব নয়। কারণ, ঢাকায় চাপ বেশি। ড. জাফর ইকবাল বলেন, আমার মা মোহনগঞ্জের
মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। আর এখানে থাকা মানেই মায়ের পরশ পাওয়া। তিনি
বাড়ি বানানোর জন্য শেখবাড়ির পাশে বহমান শিয়ালজানি খালের তীরে জায়গা পছন্দ
করেছেন। নানা আবুল হোসেন শেখ ও মা আয়েশা ফয়েজের স্মৃতি বিজড়িত শেখবাড়িতে
বাড়ি বানিয়ে একটু নিরিবিলিতে, একটু স্বস্তি আর শান্তিতে তৃপ্তি সহকারে
জীবনের শেষ সময়টুকু কাটাতে চান দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. জাফর ইকবাল। -
See more at:
http://www.jugantor.com/news/2015/09/29/329489#sthash.EGm2hOL4.chUgo1p2.dpuf


No comments:
Post a Comment