Thursday, March 31, 2011

ভারতের লোকসংখ্যা ১২১ কোটি



ভারতে ২০১১ সালের আদমশুমারির ফল আজ প্রকাশিত হয়েছে৻ সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে ভারতের মোট জনসংখ্যা গত এক দশকে ১৮ কোটিরও বেশি বেড়ে একশো একুশ কোটি ছাড়িয়ে গেছে৻ ভারতের আদমশুমারি কমিশনের প্রকাশিত এই রিপোর্টে বলা হয়, মোট জনসংখ্যা বাড়লেও ভারতে জনসংখ্যা প্রবৃদ্ধির হার কমেছে৻ একই সাথে কমছে কন্যাশিশুর আনুপাতিক হার - যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে কমিশন৻
বলা হয়, ভারতে এখন পুরুষের সংখ্যা ৬২ কোটির কিছু বেশি এবং মহিলার সংখ্যা প্রায় ৫৯ কোটি৻
মূলত কন্যা ভ্রূণহত্যার প্রচলনের কারণেই ভারতে কন্যাশিশুর আনুপাতিক সংখ্যা কমছে বলে গবেষণা সংস্থাগুলো মনে করছে৻ একটি গবেষণা সংস্থার পরিচালক মেরি জন বিবিসিকে বলেন, বিশেষত ভারতের উত্তর ও পশ্চিম অঞ্চলের কিছু জনগোষ্ঠীর মধ্যে এটা বেশি ঘটে থাকে৻
পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনের জনসংখ্যার সাথে আগে ভারতের জনসংখ্যার যে পার্থক্য ছিল তা কমে ১৩ কোটিতে নেমে এসেছে৻
কমিশন বলছে, ভারতের জনসংখ্যা এখন আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার সমান৻
ভারতের আদমশুমারি কমিশনের সি চন্দ্রমৌলি আজ এক সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্যপ্রকাশ করে বলেন, এই জনগণনা প্রাথমিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে তৈরি একটি অন্তর্বর্তী রিপোর্ট, যা সাবধানতার সাথে অধ্যয়ন করতে হবে৻
চুড়ান্ত রিপোর্ট পরে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান৻
এবারের আদমশুমারিতে খরচ হয়েছে ২২০০ কোটি টাকা৻

Friday, March 25, 2011

যুদ্ধপরাধ তদন্তে `গতি নেই`

 কাদির কল্লোল

গণহত্যার শিকার
গণহত্যার শিকার ঢাকার রিকশাওয়ালা
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য যে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে তার এক বছর পূর্ণ হয়েছে৻
কিন্তু যুদ্ধ অপরাধের বিচারের দাবীতে সোচ্চার এমন একটি সংগঠন বলছে, গত এক বছরে ট্রাইব্যুনাল বিচারের লক্ষ্যে খুব একটা অগ্রসর হতে পারেনি।
এসব অভিযোগের তদন্তের ক্ষেত্রে লোকবল এবং কারিগরি সহায়তার অভাব বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে।
তবে সরকার দাবি করছে, পর্যায়ক্রমে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে এবং তদন্তে ধীরগতি নেই।
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন অনুযায়ী ট্রাইবুনাল, আইনজীবী প্যানেল এবং তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়েছিল গত বছরের ২৫শে মার্চ।
কিন্তু এর অনেকটা সময় পরে গত বছরেরই জুলাই মাসে ট্রাইবুনালের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য বিধি তৈরি করা হয়েছিল। তারপরই তদন্ত কাজ শুরু হয়।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো তদন্ত কাজে ধীরগতির অভিযোগ করে আসছে।
ট্রাইবুনালের আইনজীবী প্যানেলের জিয়াদ আল মালুম বলেছেন, ‘‘লোকবল এবং কারিগরি সহায়তার অভাবের মধ্যেই তদন্ত কাজ চলছে। এই সমস্যাগুলো আমরা বহুবার কর্তৃপক্ষকে বলছি, তারা চেষ্টাও করছে। এতে প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে।
‘‘৪০ বছরের আগের ঘটনা। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় থেকে অধিকাংশ দলিল গায়েব করা হয়েছে। বিদেশের বিভিন্ন সূত্র থেকে সেগুলো অনেক কষ্টে সংগ্রহ করতে হচ্ছে,‍‍“ মি. আল মালুম বলেন৻
মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর মতিউর রহমান নিজামীসহ দলটির ৫জন শীর্ষ নেতা আটক রয়েছেন। এছাড়া আটক রয়েছেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। এদের আটক রাখার মেয়াদ দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে৻
এদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে।
তবে এই বিচার প্রক্রিয়ায় কারিগরিসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার জন্য সরকারের যে কমিটি রয়েছে, সেই কমিটির প্রধান, আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, দাবি করেছেন যে সরকার এক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতা দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আইনজীবীসহ লোকবল নিয়োগ করা হবে।
এছাড়াও আইন প্রতিমন্ত্রী দাবি করেছেন, তদন্তে কোন ধীরগতি নেই এবং মাস দেড়েকের মধ্যে আটক থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে পুরোদমে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।
বিভিন্ন সংগঠন থেকে এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে যে ট্রাইবুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে অনেক তথ্য প্রমাণ দেওয়া হলেও সেগুলোর অনেকটা হারিয়ে গেছে।
তবে এমন অভিযোগ নাকচ করেছেন আইনজীবী প্যানেলের জিয়াদ আল মালুম।
তিনি বলেছেন, যেসব তথ্যপ্রমাণ তারা পেয়েছেন, তার সবই সংরক্ষণ করা আছে।
অন্যদিকে, আটক থাকা জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামীসহ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
সে ব্যাপারে ২৭শে মার্চ ট্রাইবুনালে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

Wednesday, March 23, 2011

Mohangonj Upazilla


GEOGRAPHY

Mohanganj is located at 24°52′00″N 90°58′00″E / 24.8667°N 90.9667°E. It has 24011 units of house hold and total area 243.2 km².

DEMOGRAPHICS

As of the 1991 Bangladesh census, Mohanganj has a population of 129415. Males constitute are 51.4% of the population, and females 48.6%. This Upazila's eighteen up population is 65417. Mohanganj has an average literacy rate of 27.8% (7+ years), and the national average of 32.4% literate.

ADMINISTRATIVE

Mohanganj thana was turned into an upazila in 1982. Mohanganj has 07 Unions & 01 pouroshobha,Namly UP-1:Birampur-Borkashia,UP-2:Borotoly-Baniahary,UP-3:Tatholia,UP-4:Magan-Siader,UP-5:Somaj-Shohildew,UP-6:Suair,UP-7:Gaglajur & Pouroshobha Mohongonj.Mauzas/Mahallas 135, and 163 villages.There are Big howor,namly ``DINGAPUTHA.
Telephone Dialing Format: International - 880 (09524), National - 0 (9524)

ARCHAEOLOGICAL HERITAGE AND RELICS

Ancient fort at village Betham (Sultan Alauddin Hussain Shah period), Shekher Bari Mosque (same period), Daulatpur Temple (876 BS).

POPULATION

129415; male 66525, female 63890; Muslim 80.57%, Hindu 19.09%, Christian and Buddhist 0.17% and others 0.17%.

RELIGIOUS INSTITUTIONS

Mosque- 217, Temple- 32. There is a temple of 'Ramkrishna'. which is remarkable in Netrokona district for its beauty.

LITERACY, EDUCATIONAL INSTITUTIONS & PROFESSIONALS

  • Average literacy 27.8%
Male 32.7% Female 22.5%.
  • Educational institutions:
College 2, High school 14+4, Madrasa 12, Government primary school 50, Non-government primary school 31, Low cost school 3, Satellite school 10;
  • Noted educational institution:
Mohanganj Pilot Govt. High School (1931), Mohongonj Pilot Girls high school(1952), Mohanganj Public High School(1981), Mohongonj Adorsho High School(1989), Khan Bahadur Kabir Uddin Khan High School, Shampur Union High School(1969), Khurshimul high school(1965), Magan high school(1971), Sesrakali shahid smrety high school(1966), Borantor Adorsho high school(1987), Joinpur high school, Paikura Junior high school(1969), Birampur high school(1994), Somaj high school(1964), Naraish Junior high school, Palgoan high school,Hashla high school, MuktiZudda Smrety Junior high school, Mohanganj Degree College, Mohanganj Girls’ College.
  • Professionals :

CULTURAL ORGANIZATIONS

  • Rural club 36,
  • Playground 12,
  • Women's organization 4,
  • Public library 2,
  • Cinema hall 3, and
  • Theater group 1.

MAIN OCCUPATIONS

Agriculture 48.25%, fishing 2.62%, agricultural laborer 21.21%, wage laborer 2.53%, commerce 9.84%, service 3.49% and others 12.06%.

LAND

Cultivable land 24864.43 hectares, fallow land 390.84 hectares; single crop 52%, double crop 38% and treble crop land 10%; land under irrigation 71%.
Land Control: Among the peasants, 33% are landless, 29% small, 27% intermediate and 11% rich; cultivable land per head 0.13 hectare.
Value of Land: The market value of the land of the first grade is Tk 5000 per 0.01 hectare.

MAIN CROPS

Paddy, mustard seed and cotton.
Extinct or Nearly Extinct Crops: Jute and potato.
Main Fruits: Jack fruit, mango and black berry.
Poultries: 61

COMMUNICATION AND TRANSPORTATION

It has a strong waterway connection with Sylhet, Shunamganj, Bhairab Bazar, and Dhaka.
Pucca 16 km, semi pucca 37 km and mud road 397 km; railways 3 km; waterways 12 nautical mile.
Traditional Transport: Palanquin, horse carriage, bullock cart and buffalo cart. These means of transport are either extinct or nearly extinct.

MANUFACTURE & INDUSTRY

Flour Mills 3, saw mills 15, ice factories 10, oil mills 2 and printing presses 4.
Cottage Industries: Goldsmith 15, wood work 26, blacksmith 14, tailoring 223, welding 9, potteries 11.
Lots of Poultry Firm.
Hats, Bazaars and Fairs: Hats and bazaars are 38, most noted Hats Mohanganj and Chhesrakhali; fairs 2 (Nagdora and Barantar Mela).

MAIN EXPORTS

Paddy, Poultry Chicken, Egg, Fish, Mustard, Dal, Potato, and dry Fish.

কর্নেল তাহেরের বিচার অবৈধ: হাইকোর্ট-------------কাদির কল্লোল----বিবিসি বাংলা



কর্নেল তাহের
কর্নেল তাহের
বাংলাদেশে সাড়ে তিন দশক পর সামরিক আদালতে কর্ণেল আবু তাহেরের বিচারকে অবৈধ বলে ঘোষনা করেছে হাইকোর্ট।
ঐ বিচারকে বাতিল করে হাইকোর্ট বলেছে, সামরিক আদালত গঠন এবং ঐ বিচার কার্যক্রমের সবকিছুই অবৈধ এবং সংবিধান পরিপন্থী।
১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে সামরিক আদালতে বিচার করে কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।
এর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় পর তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে রিট মামলায় হাইকোর্টে রায় হলো।
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবু তাহেরের সামরিক আদালতে গোপন বিচার বাতিল করে দিয়ে হাইকোর্ট ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছে।
একই সাথে আদালত কর্নেল তাহেরকে শহীদ হিসাবে মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
ঐ বিচারে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ও এসেছে আদালতের রায়ে।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বলেছেন, সামরিক আদালতে বিচারের ঘটনা এবং এর প্রেক্ষাপট খতিয়ে দেখার জন্য আদালত সরকারকে একটি তদন্ত কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দিয়েছে।
মি: রহমান বলেছেন, ঘটনাটিকে যে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলা হয়েছে, সেখানে মুল পরিকলাপনাকারী হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেছে আদালত।
একই সাথে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে তা টিকিয়ে রাখতে সামরিক আইনের আওতায় এসব ঘটনা ঘটিয়েছিল।
অতিরিক্ত এটর্নী জেনারেল এম কে রহমান আরও জানিয়েছেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পরিকল্পনার সাথেও জিয়াউর রহমান যুক্ত ছিলেন, এমন পর্যবেক্ষণও উঠে এসেছে আদালতের এই রায়ে।
ফলে কর্ণেল তাহেরের সামরিক আদালতে বিচারের এ সব প্রক্ষাপটসহ সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখতেই হাইকোর্ট তদন্ত কমিটি গঠনের কথা বলেছে।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনার পর সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান পাল্টা অভ্যুত্থান চলে।
সেই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা নেওয়ার পর ১৯৭৬ সালে জুলাই মাসে কর্নেল তাহেরসহ ১৭ জনকে সামরিক আদালতে গোপন বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছিল।
বিচারের কয়েকদিন পরই সেসময় ২১ শে জুলাই কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।
অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এম কে রহমান বলেছেন, সামরিক আদালতের বিচারের ঘটনার ক্ষেত্রে একটা প্রেক্ষাপট রয়েছে, সে কারণেই আদালতের এই রায়ে অন্য বিষয়গুলো এসেছে এবং তা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঐ ঘটনার পঁয়ত্রিশ বছর পর এসে চারটি রিট মামলা করা হয়েছিল। যে রিট মামলাতেই আদালতেই এই রায় হলো।
রিট মামলাগুলো করেছিলেন কর্নেল তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের এবং তার ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আনোয়ার হোসেনসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা।
তাদের পাশাপাশি জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনুসহ পাঁচজন রিট মামলা করেছিলেন, তাদেরও ওই সামরিক আদালতে বিচারে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছিল।
রিট আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে অন্যতম ড. শাহদীন মালিক বলেছেন, যদি্ও কর্ণেল তাহেরর ফাসি হয়ে গেছে, কিন্তু এখন হাইকোর্টের রায়ের ফলে তিনি দেশদ্রোহিতার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন।
এছাড়াও ঐ সামরিক আদালতে যাদের সাজা হয়েছিল, তারাও অভিযোগ এবং দণ্ড থেকে মুক্ত হলেন।
একইসাথে সামরিক আদালতে ঐ বিচারটি আইনসম্মত ছিল না ,যা আদালতের রায়ে প্রমানিত হয়েছে বলে ড: শাহদীন মালিক মন্তব্য করেছেন।
এই রিট মামলায় রায় দেওয়ার আগে হাইকোর্ট আটজন এমিকাস কিউরি নিয়োগ করে তাদের বক্তব্য নিয়েছে।
এছাড়া সে সময় ঘটনার সংবাদ তুলে ধরেছিলেন, এমন একজন বিদেশী সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদেরও বক্তব্য শুনেছে আদালত।